---Advertisement---

Madhyamik Life Science Chapter 2 Question and Answer l মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান দ্বিতীয় অধ্যায় – জীবনের প্রবাহমানতা প্রশ্নোত্তর

By Siksakul

Updated on:

Madhyamik Life Science Chapter 2 Question and Answer
---Advertisement---

Madhyamik Life Science Chapter 2 Question and Answer: মাধ্যমিক ২০২৬-কে লক্ষ্য করে জীবনের প্রবাহমানতা (অধ্যায় ২) অধ্যায়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার্থে এখানে দেওয়া হলো Madhyamik Life Science Chapter 2 Question and Answer, যেখানে থাকছে বহুনির্বাচনী (MCQ), ছোট ও দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর, এবং অধ্যায়ভিত্তিক সাজেশন। এই গাইডটি বিশেষভাবে উপযোগী Class 10 Life Science Chapter 2 Bengali, Madhyamik Life Science Suggestion 2026, ও জীবনের প্রবাহমানতা অধ্যায় প্রশ্নোত্তর অনুশীলনের জন্য। PDF সহ বিস্তারিত নোট, প্রশ্নোত্তর ও মডেল সেট এই ব্লগে সহজেই পাওয়া যাবে – যা মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতিকে আরও মজবুত করবে।

Madhyamik Life Science Chapter 2 Question and Answer Suggestion – মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান দ্বিতীয় অধ্যায় – জীবনের প্রবাহমানতা

বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্নোত্তর – Madhyamik Life Science Chapter 2 Suggestion – মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান দ্বিতীয় অধ্যায় – জীবনের প্রবাহমানতা প্রশ্নোত্তর

  1. মানবদেহে অটোজোমের সংখ্যা হল – a. 40 টি b. 42 টি c. 44 টি d. 45 টি

উত্তরঃ[c] 44টি

  1. ক্রোমোজোমে অধিক ঘনত্বযুক্ত পুঁতির মতো অংশ গুলিকে বলে – a. ক্রোমোনিমা b. ক্রোমোমিয়ার c. ক্রোমাটিড d. সেন্ট্রোমিয়ার

উত্তরঃ[b] ক্রোমোমিয়ার

  1. মাইটোসিস কোশ বিভাজনের কোন দশায় বেম গঠিত হয় ? a. প্রফেজ b. মেটাফেজ c. অ্যানাফেজ d. টেলোফেজ

উত্তরঃ[b] মেটাফেজ

  1. ক্রোমোজোমের শেষপ্রান্তে সেন্ট্রোমিয়ার থাকলে তাকে বলে – a.মেটাসেন্ট্রিক b. সাবমেটাসেন্ট্রিক c. অ্যাক্রোসেন্ট্রিক d. টেলোসেন্ট্রিক

উত্তরঃ[d] টেলোসেন্ট্রিক

  1. একটি মাতৃকোশ থেকে চারটি অপত্য কোশ সৃষ্টি হয়- a. অ্যামাইটোসিসে b. মাইটোসিসে c. মিয়োসিসে d. অপুংজনিতে

উত্তরঃ[c] মিয়োসিসে

  1. মানবদেহে ক্রোমোজোমের মোট সংখ্যা হল – a.44টি b. 2টি c. 46টি d. 10টি

উত্তরঃ[c] 46টি

  1. হ্যাপ্লয়েড ক্রোমোজোম (n) কোথায় দেখা যায় ? – a. দেহকোশ b. জননকোশ/গ্যামেট c. জাইগোট d. সস্য নিউক্লিয়াস

উত্তরঃ[b] জননকোশে/গ্যামেটে

  1. কোন প্রকার কোশ বিভাজনকে হ্রাস বিভাজন বলে ? – a. মাইটোসিস b. মিয়োসিস c. অ্যামাইটোসিস d. সাইটোকাইনেসিস

উত্তরঃ[b] মিয়োসিস

  1. কোন বিজ্ঞানী DNA-এর দ্বিতন্ত্রী নাম প্রণয়ন করেন? – a. ব্রিজেস b. মরগ্যান c. ব্রিজেস ও মরগ্যান d. ওয়াটসন ও ক্রিক

উত্তরঃ[d] ওয়াটসন ও ক্রিক

  1. উদ্ভিদের দেহে যে কোশটি মিয়োসিস পদ্ধতিতে বিভাজন করে তা হল – a.রেণু মাতৃকোশ b.অগ্রমুকুলের কোশ c.পরিণত পাতার কোশ d.মূলের কোশে

উত্তরঃ[a] রেণু মাতৃকোশ

  1. কোন ক্রোমাটিডে ক্রসিং ওভার হয় ? – a. সিস্টার ক্রোমাটিড b. নন সিস্টার ক্রোমাটিড c. উভয় ক্রোমাটিড d. এর কোনোটিই ঠিক নয়

উত্তরঃ[b] নন সিস্টার ক্রোমাটিড

  1. জনুক্রম দেখা যায় কোন জীবে ? – a. অ্যামিবা b. কেঁচো c. তাল গাছ d. ফার্ন গাছ

উত্তরঃ[d] ফার্ন গাছ

  1. দুটি ভিন্নধর্মী জনন কোশের মিলনে যে জনন সম্পন্ন হয় তাকে বলে – a. অঙ্গজ জনন b. অযৌন জনন c. যৌন জনন d. অপুংজনি

উত্তরঃ[c] যৌন জনন

  1. জোড় কলমে উদ্ভিদ শাখার কোন অংশ পর্যন্ত চেঁছে দেওয়া হয় ? – a. জাইলেম b. ফ্লোয়েম c. ক্যাম্বিয়াম d. মজ্জা

উত্তরঃ[c] ক্যাম্বিয়াম

  1. দেহের কোনো কাটা অংশ থেকে অপত্য জীব সৃষ্টি হলে তাকে বলে – a. রেণু উৎপাদন b. পুনরুৎপাদন c. দ্বিবিভাজন d. খণ্ডীভবন

উত্তরঃ[d] খণ্ডীভবন

  1. কোন্ উদ্ভিদে স্বপরাগযোগ লক্ষ করা যায় ? – a. পেঁপে b. লাউ c. শিম d. তাল

উত্তরঃ[c] শিম

  1. মানুষের বিকাশকে কটি দশায় ভাগ করা যায় ? – a. 4 টি b. 5 টি C. 6 টি d. 7 টি

উত্তরঃ[b] 5টি

  1. কোন্ সময়কালকে বয়ঃসন্ধি বলা হয় ? – a. 12-20 বছর b. 7-14 বছর। c. 20-30 বছর d. 30–60 বছর

উত্তরঃ[a] 12-20 বছর

  1. সদ্যোজাত শিশুর ওজন হয় সাধারণত – a. 2.5-3 kg b. 1.5-2 kg c. 3-3.5 kg d. 1-2 kg

উত্তরঃ[a] 2.5-3kg

  1. মানবদেহে অটোজোমের সংখ্যা হল – a. 40টি b. 42টি c. 44টি d. 45টি

উত্তরঃ[c] 44 টি

  1. কোন প্রকার জননে মাইটোসিস এবং মিয়োসিস দুই প্রকার কোশ বিভাজনই দেখা যায়? – a. অযৌন জনন b. যৌন জনন c. অঙ্গজ জনন d. কোনোটিই নয়

উত্তরঃ[b] যৌন জননে

  1. কোন্ উদ্ভিদ ভূ-নিম্নস্থ কাণ্ডের মাধ্যমে অঙ্গজ জনন সম্পন্ন করে ? – a. মেন্থ b. পাথরকুচি c . বিগগানিয়া d. ওল

উত্তরঃ[d] ওল

  1. কোন্ উদ্ভিদে পতঙ্গের মাধ্যমে ইতর পরাগযোগ ঘটে? – a. পাতাশ্যাওলা b. শিমূল C. পলাশ d. আম

উত্তরঃ[d] আম

  1. কোন্ দশায় ক্রোমোজোমগুলি বেমের দুই বিপরীত মেরুর দিকে ধাবমান হয় ? – a. প্রফেজ b. মেটাফেজ c. অ্যানাফেজ d. টেলোফেজ

উত্তরঃ[c] অ্যানাফেজ

  1. দুটি গ্যামেটের মিলনকে বলে – a. সংশ্লেষ b. নিষেক c. অপুংজনি d. অযৌন জনন

উত্তরঃ[b] নিষেক

মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন দ্বিতীয় অধ্যায়ঃ জীবনের প্রবাহমানতা – শূন্যস্থান পূরণ করো l Madhyamik Life Science Suggestion

  1. ________ কোশ বিভাজন পদ্ধতিতে প্রজাতির ক্রোমোজোম সংখ্যা ধ্রুবক থাকে।

উত্তরঃ[মিয়োসিস]

  1. মানুষের দেহকোশে প্রায় ________ লম্বা DNA থাকে।

উত্তরঃ[দুই মিটার]

  1. ক্রোমোজোমের যে নির্দিষ্ট স্থানে জিন থাকে তাকে জিনের ________ বলে ।

উত্তরঃ[লোকাস]

  1. _________ ক্রোমোজোমে রৈখিকভাবে অবস্থান করে।

উত্তরঃ[জিন]

  1. ________ গ্যামেটকে বলে হোমোগ্যামেট।

উত্তরঃ[স্ত্রী]

  1. ________ গ্যামেটকে হেটেরোগ্যামেট বলে।

উত্তরঃ[পুং]

  1. একই ক্রোমোজোমের দুটি ক্রোমাটিডকে ________ ক্রোমাটিড বলে।

উত্তরঃ[সিস্টার]

  1. কোশ বিভাজনের সময় ________ সঙ্গে নিউক্লিওলাস সংযুক্ত থাকে।

উত্তরঃ[গৌণ খাঁজের]

  1. ________ অংশে ক্রসিংওভার ঘটে।

উত্তরঃ[ইউক্রোমাটিন]

  1. ________ কোশ বিভাজনকে হ্রাস বিভাজন বলে।

উত্তরঃ[মিয়োসিস]

  1. ________ কোশ বিভাজনে চারটি অপত্য কোশ সৃষ্টি হয়।

উত্তরঃ[মিয়োসিস ]

  1. _______ প্রোটিন সংশ্লেষণ ঘটে।

উত্তরঃ[G1 দশায় ]

  1. ________ হল কোশবিভাজনের দীর্ঘস্থায়ী দশা।

উত্তরঃ[প্রফেজ]

  1. ________ দশায় ক্রোমোজোমগুলি বেমের নিরক্ষীয় তলে সজ্জিত থাকে।

উত্তরঃ[মেটাফেজ]

  1. ________ কোশচক্রের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী দশা।

উত্তরঃ[ইন্টারফেজ]

  1. গ্যামেট গঠনের পদ্ধতিকে ________ বলে।

উত্তরঃ[গ্যামেটোজেনেসিস]

  1. ক্রসিং ওভারের স্থানে ‘X’ আকৃতির যে অংশ তৈরি হয় তাকে বলে _______ ।

উত্তরঃ[কায়াজমা]

  1. ক্রোমোজোমীয় চলন দেখা যায় _________ ।

উত্তরঃ[অ্যানাফেজ দশায়]

  1. ক্রসিং ওভার ঘটে মিয়োসিসের উপদশায় ________ ।

উত্তরঃ[প্যাকাইটিন]

  1. ইন্টারফেজ দশায় কোশকে ________ কোশও বলে।

উত্তরঃ[মেটাবলিক]

  1. কোশচক্রের _______ DNA দ্বিত্বকরণ ঘটে।

উত্তরঃ[S দশায়]

  1. অযৌন জননের একক ________ ।

উত্তরঃ[রেণু ]

  1. অযৌন জননে ________ উৎপন্ন হয় না।

উত্তরঃ[গ্যামেট]

  1. জেনোগ্যামি ________ পরাগযোগের অন্তর্গত।

উত্তরঃ[ইতর]

  1. ফুল হল উদ্ভিদের _______ অঙ্গ।

উত্তরঃ[জনন]

  1. _______ জুস্পোরের সাহায্যে বংশবিস্তার করে।

উত্তরঃ[ফাইটোপথোরা ]

  1. উদ্ভিদের যে অংশ পালন মাধ্যমে প্রতিপালন করা হয়, তাকে _______ বলে।

উত্তরঃ[এক্সপ্ল্যান্ট]

  1. স্টক অপেক্ষা _______ উন্নত।

উত্তরঃ[সিয়ন]

  1. প্রতিটি পুংকেশর পুংদণ্ড ও _______ নিয়ে গঠিত।

উত্তরঃ[পরাগধানী ]

  1. ________ জনুক্রম দেখা যায়।

উত্তরঃ[ফার্নে ]

  1. সহকারী কোশ ও ডিম্বাণু নিয়ে ________ গঠিত হয়।

উত্তরঃ[গর্ভযন্ত্র]

  1. একই উদ্ভিদের দুটি ফুলের মধ্যে পরাগযোগ ঘটলে,তাকে ________ বলে।

উত্তরঃ[গেইটোনোগ্যামি]

  1. যখন ফুলের গর্ভকেশর পুংকেশরের পূর্বে পরিণতি লাভ করে তাকে _______ বলে।

উত্তরঃ[প্রোটোগাইনি ]

  1. শালুক _______ ফুল।

উত্তরঃ[জলপরাগী ]

  1. ফুলের ডিম্বাশয় _______ প্রকৃতির।

উত্তরঃ[ডিপ্লয়েড]

  1. সপুষ্পক উদ্ভিদের পরাগনালীতে ________ টি-পুংগ্যামেট সৃষ্টি হয়।

উত্তরঃ[দুটি ]

  1. পুনরুৎপাদন পদ্ধতিতে জীবদেহের সামান্য দেহাংশ থেকে সম্পূর্ণ নতুন জীব সৃষ্টিকে _______ বলে।

উত্তরঃ[মরফাল্যাক্সিস]

  1. মানব বিকাশের মোট দশার সংখ্যা _____ ।

উত্তরঃ[পাঁচটি]

  1. জন্মের সময় শিশুর স্বাভাবিক ওজন _____kg হওয়া প্রয়োজন।

উত্তরঃ[প্রায় তিন]

  1. সূর্যালোক হল বৃদ্ধির একটি _____শর্ত।

উত্তরঃ[বাহ্যিক]

  1. 3-11 বছর বয়সকালকে _____বলে।

উত্তরঃ[শৈশবকাল]

  1. পুং দেহে _____হরমোন যৌনাঙ্গে বৃদ্ধি ঘটায়।

উত্তরঃ[টেস্টোস্টেরন]

  1. মানুষের বৃদ্ধি শুরু হয় _____ থেকে।

উত্তরঃ[জাইগোট]

  1. মানুষের বৃদ্ধির 20-60 বছর সময়কালকে ______ বলে।

উত্তরঃ[পরিণত দশা]

  1. উদ্ভিদের মূলের বৃদ্ধি পরিমাপক যন্ত্রটি হল_____ ।

উত্তরঃ[স্পেস মার্কার]

  1. মানুষের ভ্রূণের মরুলার পরবর্তী দশা _____।

উত্তরঃ[ব্লোস্টুলা]

  1. রেণু ___ জননের একক।

উত্তরঃ[অযৌন]

নীচের বিবৃতিগুলি সত্য না মিথ্যা লেখো : Madhyamik Life Science Suggestion – জীবনের প্রবাহমানতা দ্বিতীয় অধ্যায় – মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন

  1. মাইটোসিস কোশবিভাজন প্রথম পর্যবেক্ষণ করেন বিজ্ঞানী ওয়াল্টার ফ্লেমিং। [T]
  2. ক্রোমোজোম শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন বিজ্ঞানী ওয়ালডেয়ার। [T]
  3. হিস্টোন প্রোটিন চার প্রকার। [F]
  4. মানুষের একবার কোশ বিভাজনে সময় লাগে 14 ঘন্টা। [F]
  5. বিজ্ঞানী বোভারি বলেন ক্রোমোজোমই বংশগত বৈশিষ্ট্যের ধারক ও বাহক। [T]
  6. একটি কোশচক্রের জন্য যে সময় লাগে তাকে জনুকাল বলে। [T]
  7. আমাদের দেহ কোশে অটোজোম সংখ্যা 44টি। [T]
  8. DNA হল একটি বৃহৎ জৈব অণুতে। [T]
  9. মানুষের শুক্রাণুতে অটোজোম সংখ্যা 23 টি। [F]
  10. DNA জীবজগতের সবচেয়ে স্থায়ী অণু। [T]
  11. m-RNA কোশে সবচেয়ে বেশি থাকে। [F]
  12. মিয়োসিস-II কে হেটেরোটাইপিক বিভাজন বলে। [T]
  13. কোশচক্রে তিনটি চেক পয়েন্ট থাকে। [T]
  14. কোশ বিভাজন দশার দীর্ঘস্থায়ী দশা হল টেলোফেজ। [F]
  15. মানুষের 21 ও 22 তম ক্রোমোজোম SAT ক্রোমোজোম। [T]
  16. ক্যানসার কোশের G০ দশা থাকে। [F]
  17. ইন্টারফেজের ক্ষণস্থায়ী দশা G1 দশা। [F]
  18. G2 দশায় কোশীয় অঙ্গাণুর সংখ্যা দ্বিগুন হয়। [T]
  19. অযৌন জননে দুটি জনিতৃ জীবের প্রয়োজন। [F]
  20. যৌন জননে গ্যামেট উৎপন্ন হয় না। [F]
  21. স্পাইরোগাইরা সূত্রাকার ছত্রাক। [F]
  22. সন্ধ্যামালতী ফুলে ইতর পরাগযোগ ঘটে। [F]
  23. জোড়কলম অযৌন জনন পদ্ধতি। [F]
  24. যৌন দ্বিরূপতা দেখা যায় আরশোলাতে। [T]
  25. যৌন, অযৌন ও অঙ্গজ এই তিন পদ্ধতিতেই জননে সক্ষম প্রাণী হল হাইড্রা। [T]
  26. পাখির সাহায্যে পরাগযোগ হয় যে ফুলে, তাকে সাইকোফিলি বলে। [F]
  27. উভলিঙ্গ ফুলের স্বপরাগযোগকে জেনোগ্যামি বলে। [F]
  28. নির্ণীত নিউক্লিয়াস ডিপ্লয়েড প্রকৃতির। [T]
  29. ওবেলিয়ায় সুস্পষ্ট জনুক্রম দেখা যায়। [T]
  30. আলু কাণ্ডজ মুকুলের সাহায্যে জনন সম্পন্ন করে। [T]
  31. বৃদ্ধির উপর বিকাশ নির্ভরশীল। [T]
  32. উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্দিষ্ট বয়স অবধি ঘটে। [F]
  33. মানুষের সম্পূর্ণ জীবনচক্রকে পাঁচটি দশায় ভাগ করাযায়। [T]
  34. বার্ধক্য দশায় দৈহিক বৃদ্ধি হার মন্থর হয়। [T]
  35. থাইমাসকে বার্ধক্যের জৈব ঘড়ি বলে। [T]
  36. শৈশবে বৃদ্ধি দ্রুত পর্যায়ে ঘটে। [F]
  37. 37.পরিণত দশাকে ঝড়ঝঞ্জার কাল বলা হয়। [F]
  38. পরিস্ফরনের উপর বৃদ্ধি নির্ভরশীল। [F]
  39. দুটি গ্যামেটের মিলনকে পরাগযোগ বলে। [F]

দ্বিতীয় জোড়টির শূন্যস্থানে উপযুক্ত শব্দ বসাও : Madhyamik Life Science Chapter 2 Suggestion – জীবনের প্রবাহমানতা দ্বিতীয় অধ্যায় – মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন

  1. হিস্টোন ক্ষারীয় প্রোটিন : অহিস্টোন : __________ ।উত্তরঃ[আম্লিক প্রোটিন]
  2. মিয়োসিস : ফার্মার :: মাইটোসিস : __________ |উত্তরঃ[ওয়াল্টার ফ্লেমিং]
  3. মাইটোসিস : দুটি অপত্য কোশ :: মিয়োসিস :উত্তরঃ[চারটি অপত্য কোশ]
  4. দীর্ঘস্থায়ী : প্রোফেজ :: স্বল্পস্থায়ী দশা : _________ ।উত্তরঃ[অ্যানাফেজ]
  5. উদ্ভিদ মাইটোসিস অ্যানাস্ট্রাল :: প্রাণী মাইটোসিস : _________ ।উত্তরঃ[অ্যাম্ফি-অ্যাস্ট্রাল]
  6. রাইবোজোম : প্রোটিন কারখানা :: মাইটোকন্ড্রিয়া : _________ ।উত্তরঃ[শক্তিঘর]
  7. সাইটোপ্লাজমের বিভাজন : সাইটোকাইনেসিস : নিউক্লিয়াসের বিভাজন : _________ ।উত্তরঃ[ক্যারিওকাইনেসিস]
  8. পুনরুৎপাদন : মাইটোসিস :: গ্যামেট উৎপাদন : __________ ।উত্তরঃ[মিয়োসিস]
  9. বোকে দশা : লেপ্টোটিন উপদশা :: কায়াজমা দশা : ________ ।উত্তরঃ[প্যাকিটিন উপদশা]
  10. সাইটোকাইনেসিস : Whiteman :: ক্যারিওকাইনেসিস : ________ ।উত্তরঃ[Schneider]
  11. সমসংস্থ ক্লোমোজোম : সিস্টার ক্রোমাটিড ::

ভিন্ন সমসংস্থ ক্রোমোজোম : ________ ।উত্তরঃ[নন সিস্টার ক্রোমাটিড]

  1. চলরেণু : জুস্পোর :: অচলরেণু : ________।উত্তরঃ[অ্যাপ্লানোস্পোর]
  2. স্বপরাগী ফুল : রঙ্গন :: ইতরপরাগী ফুল : ________ ।উত্তরঃ[কুমড়ো]
  3. পতঙ্গপরাগী : আম :: পক্ষীপরাগী : ________ ।উত্তরঃ[শিমুল ]
  4. অ্যানিমোফিলি : বায়ুপরাগী :: হাইড্রোফিলি : ________ ।উত্তরঃ[জলপরাগী]
  5. পটল : মূলজ মুকুল :: পাথরকুচি : ________ ।উত্তরঃ[পত্রজ মুকুল]
  6. জাইগোট : 2n :: সস্য নিউক্লিয়াস : ________ ।উত্তরঃ[3n]
  7. কচুরীপানা : অফসেট :: চন্দ্রমল্লিকা : ________ ।উত্তরঃ[সাকার]

মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন – দ্বিতীয় অধ্যায়: জীবনের প্রবাহমানতা, এক কথায় উত্তর দাও l Madhyamik Life Science Suggestion

  1. কোন প্রক্রিয়ায় জনিতৃ কোশ থেকে অপত্য কোশ সৃষ্টি হয় ?

উত্তরঃ কোশ বিভাজন প্রক্রিয়ায় ।

  1. DNA-এর পুরো নাম কী ?

উত্তরঃ ডি-অক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড ।

  1. ক্রোমোজোম কখন এবং কোথা থেকে সৃষ্টি হয় ?

উত্তরঃ কোশ বিভাজনের সময় নিউক্লিয় জালিকা থেকে ক্রোমোজোম সৃষ্টি হয় ।

  1. RNA কোথায় জিনরূপে কাজ করে ?

উত্তরঃ ভাইরাসে RNA জিন রূপে কাজ করে ।

  1. জিনের একটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো ।

উত্তরঃ জিন মুখ্যত DNA দিয়ে গঠিত ।

  1. 46 টি ক্রোমোজোমের মধ্যে অটোজোম ক-টি ?

উত্তরঃ 44 টি।

  1. স্ত্রীলোকদের সেক্স ক্রোমোজোম কীভাবে প্রকাশ করা হয় ?

উত্তরঃ স্ত্রীলোকদের সেক্স ক্রোমোজোমকে ‘XX’ রূপে প্রকাশ করা হয় ।

  1. মেটাসেন্ট্রিক ক্রোমোজোম দেখতে কেমন ?

উত্তরঃ ‘V’ আকৃতির ।

  1. নিউক্লিওহিস্টোন কী ?

উত্তরঃ হিস্টোন DNA-র সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিউক্লিওহিস্টোন গঠন করে ।

  1. কোন অঙ্গাণু থেকে প্রাণীকোশ বিভাজনকালে – বেমতন্তু গঠিত হয় ?

উত্তরঃ সেন্ট্রাজোম থেকে ।

  1. ক্রোমোজোমের পৃথকীকরণ কোথায় ঘটে ?

উত্তরঃ মিয়োসিস কোশ বিভাজনে ।

  1. ভ্রূণের পরিস্ফুটনকালে কী ধরনের কোশবিভাজন দেখা যায় ?

উত্তরঃ মাইটোসিস কোশবিভাজন দেখা যায় ।

  1. কোন প্রক্রিয়ায় জীব বংশবিস্তার করে ?

উত্তরঃ জনন প্রক্রিয়ায়।

  1. একটি প্রাণীর উদাহরণ দাও যেখানে বিভাজন প্রক্রিয়ায় জনন সম্পন্ন হয়।

উত্তরঃ অ্যামিবা।

  1. কোরকের সাহায্যে অযৌন জনন সম্পন্ন হয় কোন প্রাণীতে ?

উত্তরঃ হাইড্রা।

  1. কোন উদ্ভিদে জনুক্রম দেখা যায় ?

উত্তরঃ ফার্ন

  1. স্টক কাকে বলে ?

উত্তরঃ মূলসহ যে গাছটিতে অন্য গাছের শাখা জোড়া লাগানো থাকে তাকে স্টক বলে।

  1. পুংকেশরের কোথায় পরাগরেণু সৃষ্টি হয় ?

উত্তরঃ পরাগধানীতে পরাগরেণু সৃষ্টি হয়।

  1. ডিম্বাণু কোথায় থাকে ?

উত্তরঃ ডিম্বকের মধ্যে ডিম্বাণু থাকে।

  1. কোন গাছে বাদুড়ের সাহায্যে পরাগযোগ ঘটে ?

উত্তরঃ কলা।

  1. একটি পতঙ্গপরাগী ফুলের উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ আম।

  1. পিতৃ ও মাতৃ ক্রোমোজোমদ্বয়ের দেহাংশের বিনিময়কে কী বলে ?

উত্তরঃ পিতৃ ও মাতৃ ক্রোমোজোমদ্বয়ের দেহাংশের বিনিময়কে ক্রসিংওভার বলে।

  1. ক্রোমোজোম সংখ্যা ধ্রুবক রাখা কোন কোশ বিভাজনের কাজ ?

উত্তরঃ ক্রোমোজোম সংখ্যা ধ্রুবক রাখা মাইটোসিস কোশ বিভাজনের কাজ।

  1. অযৌন জননের একক কী ?

উত্তরঃ অযৌন জননের একক হল স্পোর বা রেণু।

  1. S দশায় কী সংশ্লেষণ ঘটে ?

উত্তরঃ S-দশায় DNA-র সংশ্লেষণ ঘটে।

  1. কোথায় RNA জিনরূপে কাজ করে ?

উত্তরঃ RNA-ভাইরাসে জিনরূপে কাজ করে।

  1. মানুষের কোন সময়কে মুখ্য বৃদ্ধিকাল বলে ?

উত্তরঃ বয়ঃসন্ধিকালকে।

  1. ভ্রূণ মাতৃজঠরে কতদিন ধরে পরিণত হয় ?

উত্তরঃ 280 দিন।

  1. কোন প্রকার কোশ বিভাজনে বেম বা স্পিন্ডিল গঠিত হয় না ?

উত্তরঃ অ্যামাইটোসিস কোশ বিভাজনে ।

  1. S-দশায় কী সংশ্লেষণ ঘটে ?

উত্তরঃ S-দশায় DNA-র সংশ্লেষণ ঘটে ।

  1. মেটাসেন্ট্রিক ক্রোমোজোমে সেন্ট্রোমিয়ার কোথায় থাকে ?

উত্তরঃ মেটাসেন্ট্রিক ক্রোমোজোমে সেন্ট্রোমিয়ার ক্রোমোজোমের মাঝখানে থাকে

  1. ক্রোমোজোমের পৃথকীকরণ কোথায় ঘটে ?

উত্তরঃ মিয়োসিস কোশ বিভাজনে ।

  1. কোন অঙ্গাণু থেকে প্রাণীকোশ বিভাজনকালে – বেমতন্তু গঠিত হয় ?

উত্তরঃ সেন্ট্রাজোম থেকে ।

  1. ক্রোমোজোমের আম্লিক প্রোটিনে কী কী অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে ?

উত্তরঃ ট্রিপটোফ্যান ও টাইরোসিন ।

  1. কাইনেটোকোর কোথায় থাকে ?

উত্তরঃ ক্রোমোজোমের সেন্ট্রোমিয়ার অঞ্চলে।

  1. ক্রোমোমিয়ার কী ?

উত্তরঃ ক্রোমোজোমের পুঁতির দানার মতো অংশগুলিকে ক্রোমোমিয়ার বলে ।

  1. স্ত্রীলোকদের সেক্স ক্রোমোজোম কীভাবে প্রকাশ করা হয় ?

উত্তরঃ স্ত্রীলোকদের সেক্স ক্রোমোজোমকে ‘XX’ রূপে প্রকাশ করা হয় ।

  1. কোন প্রক্রিয়ায় জীব বংশবিস্তার করে ?

উত্তরঃ জনন প্রক্রিয়ায়।

  1. দুটি গ্যামেটের মিলনের ফলে উৎপন্ন কোশকে কী বলে ?

উত্তরঃ জাইগোট বা ভ্রূণাণু।

  1. কোন প্রানীতে জনুক্রম দেখা যায় ?

উত্তরঃ মনোসিসটিস।

  1. কোন গাছের পাতায় অস্থানিক মুকুল সৃষ্টি হয় ?

উত্তরঃ পাথরকুচি।

  1. স্টক কাকে বলে ?

উত্তরঃ মূলসহ যে গাছটিতে অন্য গাছের শাখা জোড়া লাগানো থাকে তাকে স্টক বলে।

  1. পুংকেশরের কোথায় পরাগরেণু সৃষ্টি হয় ?

উত্তরঃ পরাগধানীতে পরাগরেণু সৃষ্টি হয়।

আরো পড়ুনঃ

নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় – মাধ্যমিক বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর

বংশগতি এবং কয়েকটি সাধারণ জিনগত রোগ

মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান অধ্যায় ৫ – পরিবেশ ও তার সংরক্ষণ প্রশ্ন ও উত্তর

মাধ্যমিক ইতিহাস চতুর্থ অধ্যায়: সংঘবদ্ধতার গোড়ার কথা – বৈশিষ্ট্য ও বিশ্লেষণ

সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্নোত্তর : Madhyamik Life Science Suggestion Chapter 2 – জীবনের প্রবাহমানতা দ্বিতীয় অধ্যায় প্রশ্নোত্তর – মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন

  1. DNA ও RNA-এর পার্থক্য লেখো

উত্তরঃ

DNARNA
DNA-তে ডি-অক্সিরাইবোজ শর্করা থাকে।RNA-তে রাইবোজ শর্করা থাকে।
DNA বংশগতির ধারক ও বাহক হিসেবে কাজ করে।RNA প্রোটিন সংশ্লেষ করে।
  1. অ্যামাইটোসিস কাকে বলে ?

উত্তরঃ যে সরলতম প্রক্রিয়ায় কোনো জনিতৃ কোশ নিউক্লিয় পর্দার অবলুপ্তি না ঘটিয়ে ক্রোমোজোম ও বেমতন্তু গঠন করে ব্যাতিরেকে নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম সরাসরি বিভাজিত হয়ে দুটি অপত্য কোশ সৃষ্টি করে, তাকে অ্যামাইটোসিস বলে।

  1. মাইটোসিস কাকে বলে ?

উত্তরঃ যে জটিল ও ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় কোনো দেহ-মাতৃকোশের নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম একবার মাত্র বিভাজিত হয়ে সম আকৃতি, সমগুণ ও সমসংখ্যক ক্রোমোজোমসহ দুটি অপত্য কোশ সৃষ্টি করে, তাকে মাইটোসিস বলে ।

  1. মাইটোসিস ও মিয়োসিসের দুটি পার্থক্য উল্লেখ করো ।

উত্তরঃ (i) মাইটোসিস দেহ মাতৃকোশে ঘটে, মিয়োসিস জনন মাতৃকোশে ঘটে।(ii) মাইটোসিস কোশ বিভাজনে মাতৃকোশ ও অপত্য কোশের ক্রোমোজোম সংখ্যা একই থাকে। মিয়োসিস কোশবিভাজনে মাতৃকোশের ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক হয়ে যায়।

  1. বাইভ্যালেন্ট বা ডায়াড কাকে বলে ?

উত্তরঃ জোটবদ্ধ সমসংস্থ ক্রোমোজোমদ্বয়কে বাইভ্যালেন্ট বা ডায়াড বলে ।

  1. মিয়োসিস কোশবিভাজন কোথায় ঘটে ?

উত্তরঃ মিয়োসিস রেণুমাতৃকোশ ও জনন মাতৃকোশে ঘটে ।

  1. অযৌন জনন কাকে বলে ?

উত্তরঃ যে জনন পদ্ধতিতে গ্যামেট উৎপাদন ছাড়াই জনিতৃ জীবের দেহকোশ বিভাজিত হয়ে অথবা রেণু সৃষ্টির মাধ্যমে অপত্য জীব সৃষ্টি হয় তাকে অযৌন জনন বলে।

  1. কোন প্রাণী রেণুর সাহায্যে বংশবিস্তার করে ?

উত্তরঃ অ্যামিবা বহুবিভাজনের সময় সিউডোপোডিওরেণুর সাহায্যে বংশবিস্তার করে।

Class 10 Life Science Chapter 2 Question Answer l Life Science Chapter 2 Suggestion 2026

  1. যৌন জনন কাকে বলে ?

উত্তরঃ যে জনন প্রক্রিয়ায় দুটি ভিন্নধর্মী জনন কোশ-এর মিলনে অপত্য জীব সৃষ্টি হয় তাকে যৌন জনন বলে।

  1. পরাগযোগ কাকে বলে ?

উত্তরঃ ফুলের পরাগধানী থেকে পরাগরেণু সেই ফুলের বা সেই জাতীয় অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হলে, তখন তাকে পরাগযোগ বলে।

  1. স্বপরাগযোগ ও ইতরপরাগযোগের দুটি পার্থক্য দেখাও।

উত্তরঃ (i) স্বপরাগযোগ সাধারণত একই ফুলে ঘটে, কিন্তু ইতর পরাগযোগ ভিন্ন ফুলে ঘটে। (ii) স্বপরাগযোগে বাহকের প্রয়োজন হয় না, কিন্তু ইতর পরাগযোগে বাহকের প্রয়োজন হয়।

  1. পার্থক্য লেখো- ক্রোমোজোম ও ক্রোমাটিড ।

উত্তরঃ

ক্রোমোজোমক্রোমাটিড
ক্রোমোজোম নিউক্লীয় জালিকা থেকে উৎপন্ন হয়।প্রতিটি ক্রোমোজোমে দুটি ক্রোমাটিড থাকে।
সংখ্যায় দুই-এর অধিক হতে পারে ।প্রতিটি ক্রোমোজোমে 2 ক্রোমাটিড থাকে।
  1. ক্রসিং ওভার কাকে বলে?

উত্তরঃ মিয়োসিসের -1 এর প্রোফেজ .1-এর প্যাকাইটিন উপদশায় সমসংস্থ ক্রোমোজোমদ্বয়ের নন-সিস্টার ক্রোমাটিড দুটির মধ্যে কায়াজমা (X-এর মতো গঠন)গঠিত হয় এবং ক্রোমোজোমের দেহাংশের বিনিময় সম্পন্ন হয়। একে ক্রসিং ওভার বলে।

  1. ক্রোমোজোমের দু’টি কাজ লেখো।

উত্তরঃ (i) ক্রোমোজোমে বংশগত পদার্থ অর্থাৎ জিন অবস্থান করে।

(ii) ক্রোমোজোম কোশের সমস্ত শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

Madhyamik Life Science Suggestion – জীবনের প্রবাহমানতা দ্বিতীয় অধ্যায় রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর – মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন ২০২৬

  1. মানবদেহে ক্রোমোজোমের সংখ্যা কত ? হ্যাপ্লয়েড ও ডিপ্লয়েড সেট বলতে কী বোঝো ? 2+3=5

উত্তরঃ মানুষের দেহকোশের ক্রোমোজোমের সংখ্যা হল 46(2n)। জননকেশে ক্রোমোজোমের সংখ্যা হল 23টি (n)।

হ্যাপ্লয়েড ও ডিপ্লয়েড সেটঃ ক্রোমোজোম যখন একক সেটে অবস্থান করে তখন তাকে হ্যাপ্লয়েড সেট (n) বলে। যেমন গ্যামেটে তথা জনন কোশে ক্রোমোজোম হ্যাপ্লয়েড সেটে থাকে। ক্রোমোজোম যখন দ্বিগুণ সেটে অর্থাৎ দুটি হ্যাপ্লয়েড সেটে থাকে তখন তাকে ডিপ্লয়েড সেট (2n) বলে। যেমন দেহকোশ, জাইগোট, নির্ণীত নিউক্লিয়াসের ক্লোমোজোম সংখ্যা ডিপ্লয়েড, (উল্লেখ্য সস্য নিউক্লিয়াসের ক্রোমোজোম সংখ্যা ট্রিপ্লয়েড-3n) ।

  1. কোশ বিভাজন কাকে বলে ? কোশ বিভাজনের তাৎপর্য কী ? 2+3=5

উত্তরঃ যে কোশটি বিভাজিত হয় তাকে মাতৃকোশ বা জনিতৃকোশ বলে। জনিতৃকোশ বিভাজিত হয়ে যে কোশ সৃষ্টি করে তাকে অপত্যকোশ বলে। জনিতৃকোশ যে পদ্ধতিতে অপত্যকোশ সৃষ্টি করে তাকে কোশ বিভাজন বলে।

কোশ বিভাজনের তাৎপর্যঃ কোশ বিভাজনের প্রধান তাৎপর্য হল –

(1) বৃদ্ধিঃ জীবদেহের বৃদ্ধির জন্য কোশ বিভাজন হয়। কোশ বিভাজিত হয়ে কোশের সংখ্যা বাড়ে, ফলে জীবদেহের বৃদ্ধি ঘটে।

(2) ক্ষয়পূরণঃ আঘাতপ্রাপ্ত স্থানের মেরামতির জন্য কোশ বিভাজিত হয়।

(3) প্রজনন বা বংশবিস্তারঃ কোশ বিভাজনের দ্বারা এককোশী জীবদের বংশবিস্তার ঘটে। এ ছাড়া রেণু উৎপাদন ও গ্যামেট উৎপাদনের জন্য ও কোশ বিভাজিত হয়।

  1. অ্যামাইটোসিস কাকে বলে ? অ্যামাইটোসিস পদ্ধতিটি সংক্ষেপে বর্ণনা করো । 2+3=5

উত্তরঃ সংজ্ঞাঃ যে সরলতম প্রক্রিয়ায় কোনো জনিতৃ কোশ, নিউক্লিয় পর্দার অবলুপ্তি না ঘটিয়ে, ক্রোমোজোম ও বেমতন্তু গঠন ব্যতিরেকে নিউক্লিয়াস ও সাইটোজপ্লাম সরাসরি বিভাজিত হয়ে দুটি অপত্য কোশ সৃষ্টি করে, তাকে অ্যামাইটোসিস বলে।

স্থানঃ এই প্রকার কোশ বিভাজন ব্যাকটেরিয়া, ইস্ট, অ্যামিবা ইত্যাদি এককোশী জীবদেহে দেখা যায় ।

বৈশিষ্ট্যঃ (i) এই প্রকার কোশ বিভাজনের সময় নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজমের একই সঙ্গে বিভাজন ঘটে (ii) প্রথমে নিউক্লিয়াসটি ডাম্বেল আকার ধারণ করে। তখন সাইটোপ্লাজমসহ সমগ্র কোশটি ডাম্বেল আকার ধারণ করে (iii) নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে দুটি অপত্য কোশ গঠন করে। (iv) নিম্ন শ্রেণির জীবরা অ্যামাইটোসিস পদ্ধতিতে সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটায় ।

  1. জনন কাকে বলে ? জননের পদ্ধতি সংক্ষেপে বর্ণনা করো। 2+3=5

জননঃ যে পদ্ধতিতে একটি জনিতৃ জীব থেকে দুই বা ততোধিক অপত্য জীব সৃষ্টি হয় তাকে জনন বলে।

জনন পদ্ধতিঃ জীবজগতে দু-রকমের জনন পদ্ধতি লক্ষ করা যায়, যেমন-(i)অযৌন জনন,(ii)যৌন জনন অযৌন জনন পদ্ধতিতে একটি জীব থেকে অসংখ্য অপত্য জীব সৃষ্টি হয়। অ্যামিবার অযৌন জনন দ্বিবিভাজন বা বহুবিভাজন প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়। মিউকর রেণুর সাহায্যে অযৌন জনন সম্পন্ন করে। মস ও ফার্নদের অযৌন জনন রেণুর সাহায্যে সম্পন্ন হয়।এই প্রকার জননে গ্যামেট উৎপাদন হয় না।

যৌন জনন পদ্ধতিতে দুটি জীব প্রধানত পুরুষ ও স্ত্রী পরস্পরের মিলন ঘটে।মিলনকালে তাদের মধ্যে যৌন জননের একক গ্যামেটের বিনিময় ঘটে। পুংগ্যামেট ও স্ত্রী গ্যামেটের মিলনে (নিষেক) জাইগোট সৃষ্টি হয়। জাইগোট থেকে নতুন অপত্য জীব সৃষ্টি হয়। স্পাইরোগাইরা, প্যারামেসিয়াম সংশ্লেষ পদ্ধতিতে যৌন জনন সম্পন্ন করে। উন্নত প্রাণীদের গ্যামেটের মিলন ঘটিয়ে নিষেক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যৌন জনন সম্পন্ন হয়।যেমন- মাছ,ব্যাঙ, পক্ষী, স্তন্যপায়ী প্রাণীদের যৌন মিলন ও নিষেক ঘটে।

  1. সেন্ট্রোমিয়ার কাকে বলে? সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুয়ায়ী ক্রোমোজোমের শ্রেণিবিভাগ করো। আলোচনা করো ।

উত্তরঃ সেন্ট্রোমিয়ার: ক্রোমোজোমের মুখ্য খাঁজ সংলগ্ন ঘন দানার মতো অংশকে সেন্ট্রোমিয়ার বলে। সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুযায়ী ক্রোমোজোম চার প্রকার ।

(i)মেটাসেন্ট্রিক: সেন্ট্রোমিয়ার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থান করে ।

(ii)সাব-মেটাসেন্ট্রিক: সেন্ট্রোমিয়ার মধ্যবর্তী স্থানের কাছাকাছি অবস্থান করে।

(iii)অ্যাক্সোসেন্ট্রিক: সেন্ট্রোমিয়ার শেষপ্রান্তের কিছুটা ভিতরে অবস্থান করে।

(iv)টেলোসেন্ট্রিক: সেন্ট্রোমিয়ার ক্রোমোজোমের শেষ প্রান্তে অবস্থান করে।

  1. DNA-এর রাসায়নিক উপাদানগুলি উল্লেখ করো ।

উত্তরঃ DNA-এর রাসায়নিক উপাদানগুলি হলো(1)নাইট্রোজেন বেস–(i)পিউরিন, যথা— অ্যাডেনিন ও গুয়ানিন। (ii) পিরিমিডিন, যথা– সাইটোসিন ও থাইমিন।

(2)শর্করা = DNA-তে শর্করা ডি-অক্সিরাইবোজ রূপে অবস্থান করে।

(3)ফসফেট – ফসফোরিক অ্যাসিড রূপে অবস্থান করে ।

  1. মাইটোসিস কাকে বলে ? মাইটোসিস কোশ বিভাজনের প্রোফেজ ও মেটাফেজ দশার বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো ।

উত্তরঃ মাইটোসিস : যে ধারাবাহিক পদ্ধতির সাহায্যে কোনো দেহ মাতৃকোশের নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম একবার বিভাজিত হয়ে সমআকৃতি, সমগুণসম্পন্ন এবং সমান সংখ্যক ক্রোমোজোমযুক্ত দু’টি অপত্য কোশ সৃষ্টি করে তাকে মাইটোসিস বলে।

প্রোফেজ দশার বৈশিষ্ট্য : নিউক্লিয় জালিকা থেকে উৎপন্ন ক্রোমাটিন সূত্রগুলি জল ত্যাগ করে (জল বিয়োজন) স্পষ্ট হতে থাকে। ক্রোমাটিডগুলি কুণ্ডলীকৃত হয়ে ছোটো ও মোটা হয় এবং নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম সৃষ্টি হয়। নিউক্লিওলাস ক্রমশ ছোটো হতে হতে এই দশার শেষের দিকে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়।

মেটাফেজ দশার বৈশিষ্ট্য : নিউক্লীয় পর্দা ও নিউক্লিওলাস সম্পূর্ণ রূপে বিলুপ্ত হয়।ক্রোমোজোমগুলি বিষুব অঞ্চলে বা নিরক্ষীয় তলে অবস্থান করে। বেমতন্তু গঠিত হয়। অবিচ্ছিন্ন বেমতন্তু উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত। ক্রোমোজোমীয় তন্ত উত্তর বা দক্ষিণ মেরু এবং ক্রোমোজোমের সেন্ট্রোমিয়ারের সঙ্গে যুক্ত থাকে।

  1. মাইটোসিস কোশ বিভাজনের অ্যানাফেজ ও টেলোফেজ দশার বৈশিষ্ট্য লেখো।

উত্তরঃ অ্যানাফেজ দশার বৈশিষ্ট্য : এটি ক্যারিওকাইনেসিস বা নিউক্লিয়াসের বিভাজনের তৃতীয় দশা। এই দশায় ক্রোমোজোমগুলি বিভক্ত হয়ে দুটি ক্রোমাটিড গঠন করে এবং নতুন সেন্ট্রোমিয়ারের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অপত্য ক্রোমোজোম গঠন করে। ক্রোমোজোমগুলির অর্ধেক উত্তর মেরু ও অর্ধেক দক্ষিণ মেরুর দিকে গমন করে। এটি বেমতন্তুর সংকোচনের ফলে সম্পন্ন হয়। এই দশায় ক্রোমোজোমগুলি ‘V’ (মেটাসেন্ট্রিক), ‘L’ (সাব-মেটাসেন্ট্রিক) , ‘J’ (অ্যাক্সোসেন্ট্রিক) ও ‘I’ টেলোসেন্ট্রিক) আকৃতির মতো দেখায়।

টেলোফেজ দশার বৈশিষ্ট্য : ক্রোমোজোমগুলি উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরুতে পৌছায়। ক্রোমোজোমের কুণ্ডলী খুলে যায়, জলগ্রহণ করে এবং নিউক্লিয় জালক গঠন করে। নিউক্লিয় পর্দা ও নিউক্লিওলাসের আবির্ভাব হয়। এই দশার শেষে দু’টি অপত্য নিউক্লিয়াস গঠিত হয়।

  1. অসম্পূর্ণ প্রকটতা কাকে বলে ? উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ বিপরীত বৈশিষ্ট্যযুক্ত দু’টি জীবের সংকরায়ণে প্রকট জিনটি সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ না পাওয়ায় জীবের প্রকট ও প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্যের মধ্যবর্তী একটি বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়। এই ঘটনাকে অসম্পূর্ণ প্রকটতা বলে।

উদাহরণ – সন্ধ্যামালতী উদ্ভিদে লাল ও সাদা ফুলযুক্ত গাছের মিলনে প্রথম জনুতে সমস্ত (গোলাপি) ফুল উৎপন্ন হয়। এটি অসম্পূর্ণ প্রকটতার উদাহরণ।


শেষকথাঃ

মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান পরীক্ষার সঠিক প্রস্তুতির জন্য “জীবনের প্রবাহমানতা” অধ্যায়ের উপর ভিত্তি করে তৈরি এই প্রশ্নোত্তর গাইডটি অত্যন্ত উপযোগী। এখানে গুরুত্বপূর্ণ MCQ, সংক্ষিপ্ত ও রচনামূলক প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে অধ্যায়ের মূল ধারণাগুলি সহজভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা পরীক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করবে। সময়োপযোগী অনুশীলনের মাধ্যমে তোমরা এই অধ্যায়ে ভালো নম্বর অর্জন করতে পারবে। তাই নিয়মিত চর্চা করো এবং সাফল্যের পথে এগিয়ে চলো।

আপনি কি বাংলা উক্তি, কবিতা ও গল্প পড়তে ভালোবাসেন তাহলে এখনি ক্লিক করুন আমাদের ওয়েবসাইটে www.raateralo.com

---Advertisement---

Related Post

Most Important Books and Writers GK for All Competitive Exams l পুস্তক ও লেখক ইতিহাস GK: SSC, RRB, WBCS Special

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় Most Important Books and Writers GK একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টপিক। SSC, RRB, WBCS, Banking, Railway Group D, NTPC সহ প্রায় সব সরকারি পরীক্ষাতেই নিয়মিতভাবে books and ...

Madhyamik Bengali Question Paper 2018 | বিগত বছরের মাধ্যমিক বাংলা প্রশ্নপত্র ২০১৮ l Madhyamik Bengali 2018 Previous Year Question Paper

মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতিতে Previous Year Question Paper অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই লেখায় আমরা তুলে ধরেছি Madhyamik Bengali Question Paper 2018 | মাধ্যমিক বাংলা প্রশ্নপত্র ২০১৮, যা ...

WB Madhyamik Bengali Question Paper 2019 with Answer | মাধ্যমিক বাংলা প্রশ্নপত্র ২০১৯ l Madhyamik Bengali 2019 Previous Year Question Paper

মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য WB Madhyamik Bengali Question Paper 2019 একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্টাডি রিসোর্স। এই ব্লগে আমরা একসাথে তুলে ধরেছি Madhyamik Bengali Question Paper 2019 with Answer, যাতে ...

🔰 TOP 100 COMPUTER GK l সেরা ১০০ কম্পিউটার জিকে (কম্পিউটার জিকে)

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন–উত্তর TOP 100 COMPUTER GK: বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কম্পিউটার জিকে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। SSC, RRB, Railway Group D, NTPC, Banking, WBCS, Police সহ ...

Leave a Comment